1. admin@dainikcoxsbazardiganto.com : Cox Bazar Dainik :
  2. newsiqbalcox@gmail.com : Md Iqbal : Md Iqbal
কুতুবদিয়ায় কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শীকা রেবেকার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ - Cox's Bazar Diganto
March 9, 2021, 9:43 am

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট

কুতুবদিয়ায় কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শীকা রেবেকার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

  • Update Time : Tuesday, October 13, 2020
  • 142 Time View

 

নিজস্ব প্রতিবেদক,কুতুবদিয়াঃ

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শীকা (FWV) রেবেকা সোলতানার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভোক্তভোগীদের অভিযোগ তিনি টাকা ছাড়া সেবা দেন না ক্লিনিকে। সরকারি ক্লিনিক সেন্টারকে ব্যক্তি গত চেম্বার হিসেবে ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে রোগীদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা আদায় করছেন। তিনি অফিস টাইমে ক্লিনিক ছেড়ে কন্টাক্টে বাসাবাড়িতে গিয়ে প্রসূতি সেবা দিয়ে টাকা কামাই করছেন।

জেসমিন নামের এক ভুক্তভোগী রোগী বলেন, গত ৭ অক্টোবর ৩৫০০ টাকা নির্ধারণ করে দুপুর ১২টায় আমার বাড়িতে এসে ডেলিভারি করান রেবেকা আপা। দুপুর দেড়টায় সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। ডেলিভারি করার সময় ছোট সিজার দিতে হয়েছে। সেখানে পাঁচটি সেলাই হয়েছে। সেখানে ২টা সেলাই খুলে যাওয়ায় ১৩ অক্টোবর আবার ক্লিনিকে গেলে ক্ষতস্থানে পুনরায় সেলাই দিতে আটশ টাকা দাবী করেন রেবেকা আপা। টাকা না দেয়ায় ২/৩ ঘণ্টা বসিয়ে রাখেন।

রোগীর স্বামী সাইফুর রহমান জানান, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শীকা(FWV) রাবেকা আপাকে অনেক অনুরোধ করার পরেও তিনও টাকা ছাড়া সেলাই দিতে রাজি হননি। রোগীকে ২/৩ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ভোগান্তি দেন। পরে আমি গিয়ে টাকা দিলে সেলাই করে দেন।

এ ব্যাপারে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিধান কান্তি রুদ্র সত্যতা যাছাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

এ ব্যাপারে স্থানীয় এমইউপি মীর কাশেম বলেন, কৈয়ারবিল পরিবার কল্যাণ পরিদর্শীকা টাকা ছাড়া সেলাই করছেন না শুনে আমি সেখানে যাই। রোগীর আত্মীয় স্বজনদের নিকট থেকে ৮শ টাকা দাবি করার বিষয়টি জানতে পেরে টাকা না নেয়ার জন্য বলে আসি।

ক্লিনিকে টাকা নেয়ার ব্যাপারে কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিদর্শীকা (FWV) রেবেকা সুলতানা বলেন, আমি গত ৭ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৩ টায় অফিস টাইমের পরে ওই রোগীর বাড়িতে গিয়ে ডেলিভারি করাই। অল্প সাইড সিজার দিতে হয়। ৫টা সেলাই এর মধ্যে ২টি খোলে যাওয়ায় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ওই রোগী ক্লিনিকে আসলে সেদিনও কোন টাকা ছাড়াই সেলাই করে দি।

এদিকে এলাকার সচেতন মহলের দাবি, গরিবের স্বাস্থ্য ও প্রসূতি সেবা কেন্দ্র গুলোকে ব্যক্তিগত চেম্বার না বানিয়ে অসহায় মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চত করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
  • এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া  অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized By Coxmultimedia
%d bloggers like this: