1. admin@dainikcoxsbazardiganto.com : Cox Bazar Dainik :
  2. newsiqbalcox@gmail.com : Md Iqbal : Md Iqbal
August 11, 2020, 10:51 am
শিরোনাম :
পেকুয়ার বর্ধিত সভায় বক্তারা, নেতাদের  বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হামলা আ’লীগ মেনে নেবে না কক্সবাজার শহরে জমি জবর দখল ও মাদকের টাকায় অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছে নান্নু পেকুয়ার আটটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেঞ্চ, চেয়ার ও টেবিল বিতরণ কুতুবদিয়ায় সার ডিলার হাশেমের ১০ লাখ টাকা ডাকাতি চকরিয়া বদরখালীতে জাতীয় মানবাধিকার পরিবেশ সোসাইটির অভিষেক সম্পন্ন চকরিয়ায় ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র গুরুতর আহত পেকুয়ার টইটংয়ে চলছে প্রকাশ্যে মদ ও জোয়ার আসর চকরিয়া বদরখালীতে মানবাধিকার কর্মী রাসেলের সহযোগিতায় রাস্তা সংস্কার মাদক নির্মূলে গণমাধ্যমকর্মীর কিছু ভাবনা ইয়াবা তদবিরে সাড়া না দেওয়ায় দৈনিক কক্সবাজার ৭১ পত্রিকা অফিসে হামলা ও ভাংচুর,

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
২৬৩,৪৫০
সুস্থ
১৫১,৯৬৯
মৃত্যু
৩,৪৭১

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,৯৯৬
সুস্থ
১,৫৩৫
মৃত্যু
৩৩
সূত্র: আইইডিসিআর

জলাবদ্ধতা ও মাতারবাড়ী

  • Update Time : Saturday, June 27, 2020
  • 61 Time View

 

 

ডাঃ মোঃ এয়াকুব আলী

——————–

মাতারবাড়ী ইউনিয়নটি মহেশখালী উপজেলার একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আরও একটি ইউনিয়ন গঠিত হয় যার নাম ধলঘাটা।
মাতারবাড়ী ইউনিয়নেই আমার জন্ম। যেই ইউনিয়নের মানুষের আবেগ অনুভূতি অভ্যাস সব কিছুই অন্যন্য এলাকার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। এরা সংঘবদ্ধভাবে বসবাস করতে ভালবাসে বেশি। যার কারনে একটি পাড়া বা গ্রামে অনেকগুলো বাড়ী গাদাগাদি করে তৈরি করে। এমনকি অনেক সরকারি বেসরকারি কর্মী যেকোন ধরনের জরীপ কাজ করতে আসলে বিপাকে পড়ে যায়। এমনও দেখা গেছে দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে ত্রাণ দেওয়ার জন্য বাড়ীর তালিকা করতে গিয়ে একজনের বাড়ী অন্যজনের নামে লিখে ফেলেছেন। তারপর ত্রাণ দিতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। ফলে এগুলো নিয়ে বিচার শালিস পর্যন্ত গড়িয়েছে।
এখনও ঘনবসতির দিক দিয়ে মাতারবাড়ী ইউনিয়ন অন্য ইউনিয়নের চাইতে অনেক এগিয়ে থাকবে।
মাতারবাড়ীতে এমন ঘনবসতি হওয়ার পরও আমরা ও আমাদের সন্তান সন্ততিদের সময়েও বর্ষামৌসুমে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়া সত্বেও আভ্যন্তরিন খালগুলোতেই পানি ছিল। কোন বাড়ীঘর প্লাবিত হয়নি। নব্বইয়ের দশকের পরে যখন মানুষ ভিতরের খালগুলো ইজারা নিয়ে চিংড়ী প্রকল্প শুরু করেছেন তখন নীচু এলাকাগুলোতে একটুআধটু পানি জমে থাকত তাও মানুষের ঘরবাড়ী রাস্তাঘাট প্লাবিত হতনা। যতোই বৃষ্টি হোক ভিতরের পানি সেচের যে বড় বড় স্লুইসগেটগুলো ছিল সেগুলো দিয়ে পানি নিমিষেই বের হয়ে যেত।


২০১৪সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেগা প্রকল্প, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিতীয় জন্মভুমি মাতারবাড়ীতে কয়লাবিদ্যুৎ স্থাপনের কাজ শুরু হল। মাতারবাড়ীর আওয়ামীপাগল মানুষগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের কথার মুল্য দিতে গিয়ে নিজেদের জায়গা জমি দিতেও কুন্ঠাবোধ করেননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় বরাবরই মাতারবাড়ীর মানুষের প্রতি অত্যান্ত আন্তরিক বলেই হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত খবর নিয়েছেন এবং এখনও মাননীয় এম পি আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ মহোদয়ের মাধ্যমে খোঁজখবর রাখেন।
অত্যান্ত দুঃখের বিষয় প্রকল্প বাস্তবায়নকারীর সংস্থার অবহেলার কারণে পুরো মাতারবাড়ীর নিন্ম এলাকার প্রায় ঘরবাড়ী বর্ষামৌসুমে পানির নীচে তলিয়ে যায়।
মানুষ মনে করেছিল প্রকল্প বাস্তবায়নের পুর্বে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন সাধিত হবে। কারণ যোগাযোগ হচ্ছে উন্নয়নের পুর্ব শর্ত। কিন্তু দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। জমি অধিগ্রহণ করার পর যোগাযোগ ব্যবস্থার কোন রকম উন্নয়ন ছাড়াই তারা তাদের অধিগ্রহনকৃত জমির চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে শুরু করল মাটি ভরাটের কাজ। ফলে বন্ধ হয়ে যায় মাতারবাড়ীর ভিতরের পানি নিষ্কাশনের প্রধান তিনটি শ্লুইসগেট এবং মাটি ভরাটের জন্য ভারি যানবাহন ব্যবহার করতে গিয়ে পুর্বেকার হালকা যানবাহনের জন্য তৈরি করা রাস্তা ভাংতে ভাংতে অত্যান্ত ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে উঠে। এলাকার মানুষের কপালের দুঃখও শুরু হয় সেই থেকে।

ভাংগা রাস্তা ও জলাবদ্ধতা মাতারবাড়ীর মানুষের কপালের ভাঁজকে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ করলেও তা নিবারনের তেমন একটা জ্যোতসই ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়ন সংস্থা।
জলাবদ্ধতা সৃষ্টির ফলে মাতারবাড়ীর মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এই ক্ষতির পরিমাণ নির্নয় কঠিনই বটে। যেমন – ধান, লবন, চিংড়ী, পরিবেশ, স্বাস্থ্য,পশুসম্পদ, রাস্তাঘাট আরও কত কি।
এই জলাবদ্ধতার কুফল থেকে মানুষকে রেহাই দিতে হলে কিছু জরুরী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার বলে মনে করি। যেমন –(১) শ্লুইসগেট পুনঃনির্মাণ বা বর্তমানে ব্যবহৃত বিকল্প ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারিত করা (বড় ধরনের বেঁড়ি বাঁধ নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় দ্রুত ব্যবস্থা জরুরী)। (২) সংকির্ন ও ছোট রাস্তাগুলিকে বড়যান চলাচলের উপযোগী করে তুলা, উল্লেখ থাকে যে, আগে থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করলে পরিবহনের জন্য অতিরিক্ত যে টাকাগুলো খরচ করা হয়েছে, সম্ভবত তা দিয়েই রাস্তাঘাটের উন্নয়ন কাজ হয়ে যেত।
উপসংহারে বলা যায়, জলাবদ্ধতা মাতারবাড়ীর মানুষের জন্য বড় একটা অভিশাপ। এই জলাবদ্ধতার কারণেই মাতারবাড়ীর অভুতপূর্ব ক্ষতিসাধিত হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে মানুষ তাদের পেশা, বসবাসের উপযোগী পরিবেশ, ঘরবাড়ী গবাদিপশু, চাষের জমি ব্যবসাবাণিজ্য ইত্যাদি হারিয়েছে এবং ভেঙ্গে পড়েছে রাস্তাঘাট, পুকুর, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, এবং এই জলাবদ্ধতার কারণে এলাকায় বিভিন্ন পানিবাহীত রোগ, পরিবেশ দূষন, মানসিক দুঃচিন্তায় মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। এই সমস্ত সমস্যার সমাধান পাওয়ার একমাত্র উপায় হবে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের আস্থাভাজন এম পি জনাব আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মানবতার মা, জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ। আশাকরি আমরা এইভাবে জলাবদ্ধতার কুফল থেকে মুক্তি পাব।
#৳#আমার এই পোস্ট সম্পুর্ন আমার ব্যক্তিগত মতামত থেকে।মাতারবাড়ীর একজন সচেতন নাগরিক বা সন্তান হিসাবে অভিমত ব্যাক্ত করেছি। এতে যদি কোন প্রতিষ্টান, ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি ক্ষমা প্রার্থী। ##

নোটঃ মোঃ এয়াকুব আলীর ফেইসবুক টাইমলাইন থেকে নেওয়া।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
  • এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া  অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized By Coxmultimedia
%d bloggers like this: